গঠনতন্ত্র
বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া
গঠনতন্ত্র
বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া
মনরোভিয়া, লাইবেরিয়া।
CONSTITUTION
BANGLADESH COMUNITY OF LIBERIA
MONROVIA, LIBERIA.
প্রকাশকালঃ
০১ জানুয়ারী ২০১৮ ইং
প্রকাশনায়ঃ
ঠিকানা হবে ********************
গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও মুদ্রাক্ষরিক
কাউসার আহমেদ হীরা
লাইবেরিয়াতে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশীদের নিয়া ২০১৭ ইং সনে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া গোড়া পত্তন করা হয়। অতঃপর ২০১৭ ইং সনের শেষভাগে গৃহীত একটি খসড়া গঠনতন্ত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া পরিচালিত হইয়া ০৩ নভেম্বর ২০১৭ ইং এক সাধারণ সভায় সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সাধারণ সভার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ক্রমে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ইং একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। ২১ জানুয়ারী ২০১৮ইং কমিটি সংশোধনী ও রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে গঠনতন্ত্র তৈরীর সিদ্ধান্ত হয়।
উক্ত পূর্ণাঙ্গ কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত মোতাবেক পূর্ণাঙ্গ গঠনতন্ত্র তৈরী করা হয়। এই গঠনতন্ত্রটি তৈরি করিতে আমরা যথাসাধ্য নির্ভুল করিবার চেষ্টা করিয়াছি। তথাপি মুদ্রণজনিত ভুল-ভ্রান্তি থাকাটা অস্বাভাবিক নয়। তাই আমাদের অনিচ্ছাকৃত ভুলভ্রান্তিগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখিবার অনুরোধ রহিল।
অনুচ্ছেদ ও ধারা পৃষ্ঠা
অনুচ্ছেদ -১ নাম ও সংজ্ঞা ৫
অনুচ্ছেদ -২ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ৬
অনুচ্ছেদ -৩ সদস্য পদ ও শ্রেণী বিভাগ, সাধারণ সদস্য, সহযোগী সদস্য, আজীবন সদস্য, সম্মানিত সদস্য ৭-৯
অনুচ্ছেদ -৪ সাধারণ সদস্য পদের বিধি বিধান, সদস্যপদ প্রদান, সদস্যদের অধিকার, সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ১০-১৩
অনুচ্ছেদ -৫ সদস্য পদ স্থগিত, সদস্য পদ বাতিল, পদত্যাগ, সদস্যপদ পুনরুদ্ধার, সদস্যদের নথি সংরক্ষণ ১৪-১৬
অনুচ্ছেদ -৬ সাংগঠনিক কাঠামো ও বিধি বিধান, সাধারণ পরিষদ, কার্যকরী পরিষদ, কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা, সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহকারী সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ, দপ্তর সম্পাদক, সদস্য ১৭-২৫
অনুচ্ছেদ -৭ তহবিল, তহবিল পরিচালনা, অডিট ২৬-২৭
অনুচ্ছেদ -৮ নির্বাচন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, নির্বাচন পরিচালনা ও আহ্বায়ক কমিটি, প্রার্থী ঘোষণা, ভোটার তালিকা, ভোট গ্রহণ ও ফলাফল, দায়িত্ব হস্তান্তর ২৮-৩০
অনুচ্ছেদ -৯ গঠনতন্ত্র সংশোধন ৩১-৩২
অনুচ্ছেদ-১ঃ নাম, প্রকৃতি, প্রতিক, শ্লোগান ও
অনু-১.ধারা-১ সংগঠনের নাম
ইহা “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া” নামে অভিহিত হইবে। ইহার অস্থায়ী কার্যালয় হোটেল ৭১’ মনরোভিয়া, লাইবেরিয়া অবস্থিত।
অনু-১.ধারা-২ সংগঠনের প্রকৃতি
“বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া” একটি অ-লাভজনক, অ-রাজনৈকি ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।
অনু-১.ধারা-৩ সংগঠনের প্রতিক

“বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া” একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক সংগঠন। এখানে সংগঠনের লোগো (প্রতীক) হিসেবে ব্যবহৃত “মানব শিকল” দিয়ে বুঝানো হয়েছে লাইবেরিয়াতে বসবাসরত সকল বাংলাদেশীরা ঐক্যবদ্ধ। বৃত্তের মধ্যে লাইবেরিয়ার জাতীয় পতাকা ও তার মধ্যে বাংলাদেশের মানচিত্রে অংকিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
অনু-১.ধারা-৪ সংগঠনের শ্লোগান
অনু-১.ধারা-৫ গুরুত্বপূণ শব্দের বিশ্লেষণ
(ক) সদস্য বলিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়ার সাধারণ সদস্যকে বুঝাইবে।
(খ) কার্যনির্বাহী পরিষদ বলিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়ার কার্যকরী পরিষদকে বুঝাইবে।
(গ) নির্বাহী পরিষদ বলিতে বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়ার নির্বাহী সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত পরিষদকে বুঝাইবে।
(ঘ) সাধারণ সভা বলিতে সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত সকল সদস্যদের সমন্বয়ে সভাকে বুঝাইবে।
অনুচ্ছেদ-২ ঃ উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য
অনু-২.ধারা-১
২.১.(ক) লাইবেরিয়াতে অবস্তানরত সকল বাংলাদেশীদের মধ্যে পারষ্পরিক পরিচিতি, বন্ধুত্ব ও সহমর্মিতার যুগসূত্র স্থাপন।
২.১.(খ) লাইবেরিয়াতে কর্মরত সকল বাংলাদেশীদের মধ্যে পেশাগত দায়িত্ব পালনে সুষ্ঠু সমন্বয় ও নিরাপত্তা সংরক্ষণে পরামর্শ প্রদান করিবে।
২.১.(গ) বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া সম্পূর্ণরূপে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। এখানে কোন রাজনৈতিক তৎপরতার অবকাশ কখনোই থাকিবে না।
২.১.(ঘ) সৃজনশীল বিভিন্ন বিষয়ের উপর আলোচনা সভা, সেমিনার, ক্রীড়া, সাহিত্য ও সংস্কৃতি গবেষনায় প্রকাশনা বিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণ করিবে।
২.১.(ঙ) সংগঠনের সদস্যদের কোন প্রকার আর্থিক সংকট কিংবা চাকুরী সংক্রান্ত অসুবিধা দেখা দিলে তাহা নিরসনের জন্য প্রচেষ্টা গ্রহণ।
২.১.(চ) বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া সদস্যদের কল্যাণের জন্য ফান্ড গঠন করিবে এবং এই ফান্ড পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন করিবে।
২.১. (ছ) লাইবেরিয়ায় বসবাসরত সকল বাংলাদেশীদের ঐক্যবদ্ধ করা।
২.১. (জ) লাইবেরিয়ায় বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরা।
অনুচ্ছেদ-৩ ঃ সদস্য পদ ও শ্রেণী বিভাগ
অনু-৩.ধারা-১ সাধারণ সদস্য
৪ নং অনুচ্ছেদের ধারা-১.(ক) হইতে ধারা-১.(ঞ) পর্যন্ত বর্ণিত যোগ্যতার অধিকারী ব্যক্তি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক সংগঠনের অন্তর্ভূক্ত হইলে তাহাকে সাধারণ সদস্য যাহাকে সংক্ষেপে সদস্য হিসাবে ধরা হইবে। সদস্য পদ প্রাপ্ত ব্যক্তি সংগঠনের সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা লাভ করিবেন। সার্বিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহণ, নির্বাচিত হওয়া বা নির্বাচনে অংশ গ্রহণ এবং স্বাধীনভাবে ভোট পর্বে অংশ গ্রহনের সুযোগ লাভ করিবেন।
৩.২. সদস্য অন্তর্ভুক্তি
সদস্যপদের জন্য নির্ধারিত ফর্মে আবেদন করিতে হইবে। যে কোন আবেদনকারী সদস্যপদে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে নির্বাহী পরিষদের রায় চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে। সকল সদস্যদের জন্য ভর্তি ফি এককালীন ৫ মার্কিন ডলার হিসেবে পরিশোধ যোগ্য। সকল সদস্যদের মাসিক চাদা ৫ মার্কিন ডলার হারে প্রতি ত্রৈ-মাসিক সভায় ১৫ ডলার হিসেবে কমিটির কোষাধ্যক্ষের নিকট নির্ধারিত রশিদের মাধ্যমে প্রদান করিতে হইবে।
অনু-৩.ধারা-৩ আজীবন সদস্য
যাহারা এই বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়ার এক কালীন ১০০০ মার্কিন ডলার বা তদুর্ধ্ব অর্থ নগদ বা চেকে অথবা সমমূল্যের সম্পত্তি বা সম্পদ দান করিবেন তাহারা কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক আজীবন সদস্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন। তাহারা সংগঠনের নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোটদানের অধিকারী হইবেন না। তাহারা কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক দেয়া সাধারণ সুযোগ সুবিধা ভোগ করিতে পারিবেন।
অনু-৩.ধারা-৪ সম্মানিত সদস্য
৩.৪.(ক) সংগঠনের কার্যকরী পরিষদ প্রতি সেশনের জন্য অভিনন্দন বা সম্মান সূচক বার্তার মাধ্যমে সম্মানিত ব্যক্তিত্বকে সম্মানিত সদস্য করিতে করিবেন। তাহাদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণ বা ভোটদানের অধিকার থাকিবেনা। তবে তাহারা নির্বাচন পর্যবেক্ষন করিতে পারিবেন।
অনুচ্ছেদ -৪ ঃ সাধারণ সদস্য পদের বিধি বিধান
অনু-৪.ধারা-১ সদস্য পদে আবেদনের যোগ্যতা ও শর্তাবলী
৪.১.(ক) সংগঠনের সদস্য পদ প্রাপ্তির জন্য কোন ব্যক্তিকে অবশ্যই বাংলাদেশী পাসপোর্ট বহন করিতে হইবে এবং লাইবেরিয়াতে বৈধ রেসিডেন্ট পারমিটধারী হইবে হইবে। কোন ব্যক্তিকে সদস্যপদ প্রদানের ব্যাপারে কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া মানিয়া লইতে হইবে। আবেদনকারী শুধু সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বরাবর নির্ধারিত ফরম পূরণ করিয়া জমা দিবেন।
৪.১.(খ) সংগঠনের গঠনতন্ত্র পরিপূর্ণরূপে মানিতে হইবে।
৪.১.(ট) নৈতিক পদস্খলন ঘটে এমন কর্মকান্ডের ফলে লাইবেরিয়ায় আদালত কর্তৃক সাজা প্রাপ্ত হইলে তিনি সদস্য পদ পাইবেন না অথবা সদস্যপদ থাকিলে তাহা বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে।
অনু-৪.ধারা-২ সদস্যের অধিকার
৪.২.(ক) যে কোন সদস্য সংগঠনের যে কোন বিষয়ে যুক্তি সঙ্গত লিখিত প্রশ্ন করিবার এবং কার্যকরী পরিষদের পক্ষ থেকে এর মৌখিক উত্তর পাওয়ার অধিকার থাকিবে।
৪.২.(খ) নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও ভোট দানের অধিকার থাকিবে।
৪.২.(গ) লিখিত সমালোচনা করিবার ও পরামর্শদানের অধিকার থাকিবে।
৪.২.(ঘ) সংগঠনের হিসাব নিকাশ সহ যে কোন বিষয়ে পর্যবেক্ষন বা যাচাই করিতে চাহিলে কার্যকরী পরিষদ বা সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে যে কোন সদস্য লিখিত আবেদনের মাধ্যমে তাহা করিবার অধিকার থাকিবে।
৪.২.(ঙ) যে কোন সদস্য তাহার আত্মমর্যাদা রক্ষার এবং সংগঠনের কেহ যদি তাহার মর্যাদা নষ্ট করিতে চাহেন তবে তাহার বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র মোতাবেক কার্যকরী পরিষদ বা সাধারণ পরিষদের নিকট লিখিত অভিযোগ করিবার অধিকার থাকিবে।
অনু-৪.ধারা-৩ সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য
৪.৩.(ক) কার্যকরী পরিষদের নোটিশকে মানিতে ইহবে এবং সেই অনুযায়ী কার্য সম্পাদন করিতে হইবে।
৪.৩.(খ) গঠনতন্ত্রের প্রত্যেকটি ধারাকে যথাযথ মানিতে হইবে।
৪.৩.(গ) নোটিশ অনুযায়ী সকল প্রকার সভা/ সম্মেলনে যথাসময়ে উপস্থিত থাকিতে হইবে এবং সুস্থ জ্ঞান অনুযায়ী যথোপযুক্ত ভুমিকা রাখিতে হইবে।
৪.৪.(ঘ) সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সকল সভায় ১ (এক) টি করিয়া মুক্ত আলোচনা অধিবেশন থাকিবে। নির্ধারিত অধিবেশনের বাহিরে কোথাও কেহ এই ব্যাপারে কোন কথা বলিতে বা কোন রূপ বিচ্ছিন্ন গ্রুপ সৃষ্টি করিতে পরিবেন না।
অনুচ্ছেদ – ৫ ঃ সদস্য পদ স্থগিত, বাতিল ও পদত্যাগ
অনু-৫.ধারা-১ সদস্য পদ স্থগিত
৫.১.(ক) কোন সদস্য সন্তোষজনক কারণ ব্যতিত যদি ৩ (তিন) মাসের অধিক চাঁদা প্রদানে বিরত থাকেন, কার্যকরী পরিষদ তাহার সদস্য পদ স্থগিত/বাতিল করিতে পারিবেন।
৫.১.(খ) গঠনতন্ত্রের বিরোধী কোন কার্যকলাপে লিপ্ত থাকিলে বা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করিলে কার্যকরী পরিষদ লঙ্ঘনকারী সদস্যের সদস্যপদ স্থগিত করিতে পারিবেন।
৫.১.(গ) অনুচ্ছেদ-৪ এর ধারার শর্তাবলী কোন সদস্যের ক্ষেত্রে ভুল প্রমাণিত হইলে এবং সংশ্লিষ্ট সদস্য তাহার উপযুক্ত ব্যাখ্যা না দিতে পারিলে কার্যকরী পরিষদ তাহার সদস্যপদ স্থগিত করিতে পারিবেন।
৫.১.(ঘ) স্থগিতকরনের সময়সীমা ৩ মাসের বেশী হইবেনা। এর মধ্যে উত্তর প্রদান করিতে না পারিলে তাহার সদস্যপদ বাতিল হইয়া যাইবে।
অনু-৫.ধারা-২ সদস্যপদ বাতিল
৫.২.(ক) কোন সদস্য তাহার সাধারণ সদস্যপদ হইতে ইস্তফা দিলে কার্যকরী পরিষদ তাহার সদস্যপদ বাতিল করিতে পারিবেন।
৫.২.(খ) কোন সদস্যের মৃত্যু হইলে তাহার সদস্যপদ বাতিল হইয়া যাইবে।
৫.২.(গ) কার্যকরী পরিষদ স্থগিত সদস্যের কারণ যাচাই বাছাই করিবেন এবং কেন তাহার সদস্য পদ বাতিল করা যাইবেনা, এই মর্মে একটি নোটিশ প্রদান করিবেন এবং স্থগিত সদস্যের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিবেন। উত্তর সন্তোষজনক না হইলে, কার্যকরী পরিষদ তাহার সদস্যপদ বাতির করিতে পারিবেন।
৫.২.(ঘ) কোন সদস্য সাধারণ পরিষদের পর পর ৩ (তিন) টি মিটিং এ অনুপোস্থিত থাকিলে বা সংগঠন বিরোধী ও সমাজ বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত হইলে কার্যকরী পরিষদের সদস্যগণের সম্মতিক্রমে কোন প্রকার নোটিশ ছাড়াই সংগঠনের সভাপতি তাহার সদস্যপদ বাতিল করিতে পারিবে।
অনু-৫.ধারা-৩ পদত্যাগ
৫.৩.(ক) কোন সদস্য তাহার সাধারণ সদস্য পদ অথবা সংগঠনের অন্য কোন পদ হইতে পদত্যাগ করিতে চাহিলে তিনি পদত্যাগের কারণ দর্শাইয়া লিখিতভাবে সভাপতির নিকট পদত্যাগ পত্র দাখিল করিবেন। সভাপতি তাহা যাচাই বাছাই এর জন্য কার্যকরী পরিষদের মাধ্যমে সম্পাদকের নিকট হস্তান্তর করিবেন। সম্পাদক এই পত্রের পক্ষে বিপক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য কার্যকরী পরিষদে পেশ করিবেন এবং কার্যকরী পরিষদ উক্ত ব্যাখ্যার আলোকে পদত্যাগ পত্রটি গ্রহনের প্রয়োজন মনে করিলে তাহা পদত্যগ হিসাবে মানিয়া লইবেন।
অনু-৫.ধারা-৪ সদস্যপদ পুনরুদ্ধার
সাময়িকভাবে স্থগিতকৃত বা বাতিলকৃত সদস্য পদ পুনরুদ্ধারের জন্য কার্যকরী পরিষদ বরাবর আবেদন করা যাইবে। কার্যকরী পরিষদ সন্তুষ্ট হইলে সদস্যপদ পুনর্বহাল করিবেন।
অনু-৫.ধারা-৫ সদস্যদের নথি সংরক্ষণ
বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া’র অস্থায়ী কার্যালয়ে সকল প্রকার সদস্যের নাম, ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয় হোটেল ৭১, ২০ স্ট্রিট, সিংকোর এ যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হইবে।
অনুচ্ছেদ-৬ ঃ সাংগঠনিক কাঠামো ও বিধি বিধান
অনু-৬.ধারা-১
৬.১.(ক) বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়ার সদস্যগণকে নিয়া সাধারণ পরিষদ গঠিত ইহবে।
৬.১.(খ) সাধারণ পরিষদ কার্যকরী পরিষদ গঠন করিবে।
যাহার কাঠামো হইবে নিম্নরূপঃ-
১. সভাপতি ঃ ১ জন
২. সহ-সভাপতি ঃ ৪ জন
৩. সাধারণ সম্পাদক ঃ ১ জন
৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঃ ৩ জন
৫. সাংগঠনিক সম্পাদক ঃ ১ জন
৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ঃ ৩ জন
৭. দপ্তর সম্পাদক ঃ ১ জন
৮. সহ দপ্তর সম্পাদক ঃ ২ জন
৯. প্রচার সম্পাদক ঃ ১ জন
১০. সহ-প্রচার সম্পাদক ঃ ১ জন
১১. কোষাধ্যক্ষ ঃ ১ জন
১২. সহ-কোষাধ্যক্ষ ঃ ১ জন
১৩. সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঃ ১ জন
১৪. সহ সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ঃ ১ জন
১৫. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ঃ ২ জন
১৬. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ঃ ২ জন
১৭. নির্বাহী সদস্য ঃ ১০ জন
সর্বমোট = ৩৬ জন
অনু-৬.ধারা-২ সাধারণ পরিষদ
৬.২.(ক) সাধারণ পরিষদ সংগঠনের সকল সদস্য (প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, সাধারণ সদস্য, আজীবন সদস্য ও সম্মানিত সদস্য) সমন্বয়ে গঠিত হবে। সাধারণ পরিষদ সংগঠনের সর্বোচ্চ পরিষদ। সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
৬.২.(খ) ৪ (চার) মাস অন্তর অন্তর সাধারণ পরিষদ বৈঠক বসিবে।
৬.২.(গ) কার্যকরী পরিষদের জরুরী প্রয়োজনে উক্ত ধারা ৬.২.(খ) এর বাহিরেও সাধারণ পরিষদের বৈঠক নর্বনিম্ন ৭ (সাত) দিনের নোটিশে অনুষ্ঠিত হইতে পারিবে।
৬.২.(ঘ) সাধারণ পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য মোট সদস্যের অর্ধেকের চেয়ে বেশী সদস্য উপস্থিত থাকিতে হইবে।
৬.২.(ঙ) তলবী সভা ঃ অন্তত ৪ (চার) মাসের মধ্যে কার্যকরী পরিষদ কোন সাধারণ পরিষদের সভা আহ্বানে ব্যর্থ হইলে বা বিশেষ প্রয়োজনে সাধারণ সদস্যদের পক্ষ হইতে এক চতুর্থাংশ সদস্য প্রথমে সাধারণ সম্পাদকের নিকট সভা আহবানের জন্য লিখিতভাবে অনুরোধ জানাইলে অতঃপর সাধারণ সম্পাদক তিন সপ্তাহের মধ্যে সভা আহবানে ব্যর্থ হইলে সভাপতির নিকট সভা আহবানের জন্য লিখিত আবেদন করিতে হইবে। এক্ষেত্রে সভাপতি ৭ (সাত) দিনের মধ্যে সভা আহবানে ব্যর্থ হইলে দুই তৃতীয়াংশ সাধারণ সদস্যের উপস্থিতিতে তলবী সভা করা যাইবে এবং দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে। এই ধরণের সভা শুধুমাত্র সাধারণ সদস্যগণই আহবান করিতে পারিবেন।
৬.২.(চ) অনাস্থা প্রস্তাব ঃ সাধারণ পরিষদের এক তৃতীয়াংশ সদস্যের লিখিত সম্মতিতে কোন কার্যকরী পরিষদের সদস্যের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনিতে পারিবেন। যাহার উপর সাধারণ পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য করা হইবে।
৬.২.(ছ) সাধারণ পরিষদের কোন সদস্য যুক্তিসংগত কোন কারণ ব্যতিত পরপর তিনটি সভায় অনুপস্থিত থাকিতে পারিবেন না। যুক্তিসংগত কারণ ব্যতিত অনুপস্থিত থাকিলে কার্যকরী পরিষদ তাহার সদস্য পদ স্থগিত করিতে পারিবেন।
অনু-৬.ধারা-৩ কার্যকরী পরিষদ
৬.৩.(ক) কার্যকরী পরিষদের ক্ষমতা ঃ সংগঠনের পক্ষে কার্যকরী পরিষদ সকল নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ ও ব্যবহার করিবে এবং সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য সমূহ অর্জনের জন্য সার্বিক কর্মসূচী প্রনয়ণ করিবে। কার্যকরী পরিষদ সংগঠনের সার্বিক কর্মকান্ডের জন্য সাধারণ পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবে।
৬.৩.(খ) সময়কাল ঃ কার্যকরী পরিষদের সময়কাল তিন বছর পর্যন্ত স্থায়ী হইবে।
৬.৩.(গ) অধিবেশ ঃ প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর (সম্ভব হইলে প্রতি মাসে) কার্যকরী পরিষদের একটি অধিবেশন হইতে হইবে। উক্ত অধিবেশনে সংগঠনের সভাপতি অথবা সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ-সভাপতি সভাপতিত্ব করিবেন।
৬.৩.(ঘ) সভা আহ্বান ও কোরাম ঃ সভাপতির সংগে পরামর্শক্রমে সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী পরিষদের সভা আহবান করিবেন। এই সভা বা অধিবেশন আহবানের জন্য কমপক্ষে ৭ (সাত) দিন পূর্বে এবং জরুরী অধিবেশনের জন্য ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে বিজ্ঞপ্তি দিতে হইবে। তাছাড়া ১৫ (পনের) দিনের নোটিশে সাধারণ পরিষদের সভা আহবান করা যাইবে। তবে সর্বমোট সদস্যের এক তৃতীয়াংশ যে কোন সভার কোরাম পূরণ করিবে।
৬.৩.(ঙ) শূন্য পদ পূরণ ঃ কার্যকরী পরিষদের যে কোন পদ শূন্য হইলে সভাপতি পরিষদের সদস্য হইতে যে কোন এক জনকে উক্ত পদে মনোনয়ন দিতে পারিবে। তবে কার্যকরী পরিষদ সাধারণ সদস্যদের মধ্য হইতে (যদি প্রয়োজন মনে করে) উক্ত পদ মনোনয়নের মাধ্যমে পূরন করিতে পারিবে।
৬.৩.(চ) কোন সদস্য যদি পর পর ৩টি অধিবেশনে অনুপস্থিত থাকেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট সন্তোষজনক কারণ দর্শাইতে ব্যর্থ হন তাহা হইলে তাহার কার্যকরী পরিষদের সদস্যপদ বাতিল হইয়া যাইবে।
৬.৩.(ছ) বিষয় নির্বাচনী কমিটি ঃ যে কোন পরিষদ থেকে তিন জন সদস্যের সমন্বয়ে এই কমিটি গঠিত হবে। বিষয় নির্বাচনী কমিটি বার্ষিক সাধারণ সভায় পরবর্তী বছরের জন্য খসড়া কার্যনির্বাহী কমিটি এবং বিভিন্ন প্রস্তাব উত্থাপন করিবেন।
৬.৩.(ছ) কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও ক্ষমতা
৬.৩.ছ.(১) সভাপতি
৬.৩.ছ.১.(ক) তিনি সংগঠনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.১.(খ) তিনি সংগঠনের নির্বাহি কমিটির সকল সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করিবেন।
৬.৩.ছ.১.(গ) সভা পরিচালনায় তিনি গঠনতন্ত্র অনুসারে গণতান্ত্রিক রীতি অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবেন।
৬.৩.ছ.১.(ঘ) তিনি নির্বাহি কমিটির সহিত আলোচনাক্রমে নির্বাচন ও বার্ষিক সাধারণ সভা সংক্রান্ত বিবৃত্তি কিংবা বিজ্ঞপ্তি জারি করিতে পারিবেন।
৬.৩.ছ.১.(ঙ) বিশেষ সাধারণ সভা ঃ সংগঠন পরিচালনায় কোন অব্যবস্থা দেখা দিলে তিনি সাধারণ পরিষদের দুই তৃতীয়াংশ সদস্যদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষ সাধারণ আহবান করিবেন।
৬.৩.ছ.১.(চ) সংকট কালীন সভা ঃ সংগঠন পরিচালনায় কার্যকরী পরিষদ ব্যর্থ হইলে অথবা সংগঠনের পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন গুরুতর অনিয়ম ও সংকট দেখা দিলে তিনি সাধারণ পরিষদের সভা আহবান করিয়া তিন চতুর্থাংশ সদস্যদের সম্মতিক্রমে কার্যকরী পরিষদ ভাঙ্গিয়া দিতে পারিবেন। তবে পরবর্তী কার্যকরী পরিষদ গঠন করিয়া মেয়াদ কাল চালাইতে পারিবেন।
৬.৩.ছ.১.(ছ) তিনি সংগঠন পরিচালনায় সাধারণ সম্পাদককে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিবেন।
৬.৩.ছ.১.(জ) তিনি সাধারণ ও কার্যকরী পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করা ছাড়াও সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিমত দেখা দিলে অথবা কোন সিদ্ধান্তে উভয় পক্ষে সমান সংখ্যক ভোট হইলে সভাপতি কাষ্টিং (ঈধংঃরহম) ভোট অথবা লটারী দ্বারা সমস্যার সমাধান করিতে পারিবেন।
৬.৩.ছ.১.(ঝ) সংগঠনের গঠনতন্ত্রে কোন অনুচ্ছেদের ব্যাখ্যার প্রয়োজন হইলে তিনি তাহার ব্যাখ্যা প্রদান করিবেন এবং তাহার ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।
৬.৩.ছ.১.(ঞ) কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব তিনি যথাযথভাবে পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.১.(ত) তিনি তাহার উপর অর্পিত দায়িত্বের জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(২) সহ-সভাপতি
সভাপতির অনুপস্থিতিতে জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে সহ-সভাপতি গণ সভা পরিচালনা করিবেন। কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব তিনি পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন। এছাড়াও সভাপতির এক নাগারে তিন মাস অনুপস্থিতির কারণে অথবা অন্য কোন কারণে নুতন সভাপতি না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসাবে সভাপতির সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.(৩) সাধারণ সম্পাদক
৬.৩.ছ.৩.(ক) তিনি নির্বাহী কর্মকর্তা হিসাবে সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(খ) তিনি সভাপতির সহিত পরামর্শ করিয়া সকল সভার আয়োজন করিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(গ) তিনি সভার কার্য বিবরণী লিপিবদ্ধ করাইবেন এবং সংরক্ষণ করিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(ঘ) তিনি সংগঠনের বার্ষিক বাজেট (বাজেট কমিটিতে থাকিয়া) প্রণয়ন করিবেন বা করাইবেন।
৬.৩.ছ.৩.(ঙ) তিনি সংগঠনের পক্ষে সকল প্রকার পত্র যোগাযোগ করিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(চ) তিনি কার্র্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্যান্য দায়িত্ব পালন করিবেন এবং তাহার কাজের জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(ছ) তিনি বার্ষিক সাধারণ পরিষদের সভায় আয়-ব্যয় এর হিসাব সহ প্রতিবেদন পেশ করিবেন। তাছাড়া সাধারণ সম্পাদক বিগত এক বছরের কার্য বিবরণী এবং কার্যকরী পরিষদের অনুমোদিত অডিট করা আয় ব্যায়ের হিসাব বর্ষিক সাধারণ অধিবেশনে পেশ করিবেন। উপস্থিত সদস্যগণ উক্ত হিসাব বিবরণীর উপর আলোচনা করিতে পারিবেন। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে সংগঠনের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে। কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক দিন, তারিখ ও কর্মসূচী নির্ধারণ করার পর সাধারণ সম্পাদক বার্ষিক সাধারণ অধিবেশনের জন্য কমপক্ষে ১৫ (পনের) দিনের সময় দিয়া বিজ্ঞপ্তি প্রদান করিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(জ) তিনি তাহার বিভাগীয় সম্পাদক ও সদস্যদের কাজের খোজঁ খবর নিবেন।
৬.৩.ছ.৩.(ঝ) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে তিনি স্থানীয় বিভিন্ন মহলের দলাদলির সাথে জড়িত হয়ে কোন পক্ষে কোন প্রকার সমালোচনা, মন্তব্য, সমর্থন ও সুপারিশ করিতে পারিবেন না। আপদকালীন প্রয়োজনের স্বার্থে …….. মার্কিন ডলার নগদ হাতে রাখিতে পারিবেন।
৬.৩.ছ.(৪) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
৬.৩.ছ.৪.(ক) তিনি সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.৪.(খ) তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.৪.(গ) সাধারণ সম্পাদক এক নাগারে তিন মাস অনুপস্থিত থাকিলে তিনি তাহার সকল দায়িত্ব পালন করিবেন। এছাড়াও কোন কারণে নতুন সাধারণ সম্পাদক না হওয়া পর্যন্ত তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.(৬) সাংগঠনিক সম্পাদক
তিনি সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে যাবতীয় সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করিবেন। যেমন- সদস্য সংগ্রহ, সদস্যদের বিভিন্ন প্রয়োজনে খোজ-খবর নেয়া, সংগঠনের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ব্যবস্থাগ্রহণ করবেন। তাহা ছাড়াও তিনি নির্বাহী পরিষদের কোন সভায় যদি সভাপতি ও সহ-সভাপতিগণ উপস্থিত না থাকে তাহা হইলে ওই সভায় সভাপতিত্ব করিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(৭) সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক
৬.৩.ছ.৭.(ক) তিনি সাংগঠনিক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন।
৬.৩.ছ.৭.(খ) তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(৮) কোষাধ্যক্ষ
তিনি সংগঠনের যাবতীয় আয়-ব্যায় এর হিসাব নিকাশ সংরক্ষণ করিবেন। তিনি বাজেট প্রণয়নে সাধারণ সম্পাদককে সাহায্য করিবেন। আয়ের রশিদ ও ব্যায়ের ভাউচার সাথে সাথে লিপিবদ্ধ করিবেন এবং ক্যাশ বহিতে লিপিবদ্ধ করিবেন। তিনি সংগঠনের তহবিলকে সর্বদা অডিট উপযোগী রাখিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(৯) সহ- কোষাধ্যক্ষ
তিনি কোষাধ্যক্ষের অনুপস্থিতিতে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১০) দপ্তর সম্পাদক
তিনি দপ্তরের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করিবেন এবং নথি সংরক্ষণে সাধারণ সম্পাদককে সাহায্য করিবেন। তাহা ছাড়াও কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১১) সহ- দপ্তর সম্পাদক
তিনি দপ্তর সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১২) প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
তিনি নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত সকল সদস্যদের কাছে পৌছে দিবেন। এবং সংগঠন যদি মনে করে কোন প্রকার প্রকাশনা যেমন- ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র কিংবা অনলাইন সংবাদপত্র তাহা সম্পাদনে নির্বাহী পরিষদকে সহযোগিতা করিবেন। তাহা ছাড়াও কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৩) সহ- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক
তিনি প্রচার সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৪) সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক
তিনি সংগঠনের নির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে আয় বর্ধনমূলন কিংবা শুধুমাত্র বিনোদনের বিভিন্ন সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন ও খেলাধূলার ব্যবস্থা করবেন। তাহা পরিচালনার জন্য বাজেট পেশ করে নির্বাহী পরিষদ কর্তৃক পাশ করাইতে হইবে। তাহা ছাড়াও কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৫) সহ- সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক
তিনি সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকের অনুপস্থিতিতে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করিবেন। তিনি কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক ন্যাস্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৬) স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক
তিনি সংগঠনের সকল সদস্যদের স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করিবেন এবং সদস্যগণ প্রয়োজনে তাহার কাছে পরামর্শ চাইতে পারিবেন। প্রয়োজন হলে বিভিন্ন দূর্যোগপূর্ণ মুহুর্তে মেডিকেল ক্যাম্পের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। তাহা ছাড়াও কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৭) ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক
তিনি সংগঠনের সকল সদস্যদের ধর্মীয় বিষয়ক পরামর্শ প্রদান করিবেন। তাহা ছাড়াও কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তিনি কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
৬.৩.ছ.(১৮) নির্বাহী সদস্য
তাহারা কার্যকরী পরিষদের সভায় উপস্থিত থাকিয়া মতামত প্রদান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তাহা বাস্তবায়নে সহায়তা করিবেন এবং কার্যকরী পরিষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করিবেন এবং এই জন্য তাহারা কার্যকরী পরিষদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
অনুচ্ছেদ-৭ ঃ তহবিল
অনু-৭.ধারা-১ আয়ের উৎস
৭.১.(ক) সংগঠনের প্রধান আয়ের উৎস হইবে সদস্যদের নিয়মিত মাসিক চাঁদা। এই চাঁদার হার কার্যকরী পরিষদ নির্ধারণ করিবে।
৭.১.(খ) বিভিন্ন সরকারী/বেসরকারী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি হইতে প্রাপ্ত অনুদান যাহা সংগঠন বৈধভাবে সংগ্রহ করিবে।
৭.১.(গ) সময় সময় সুষ্ঠু বিনোদনমূলক চ্যারিটি শো এবং আয়বর্ধন মূলক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়া তহবিল সংগ্রহ করা যাইবে।
অনু-৭.ধারা-২ তহবিল পরিচালনা
৭.২.(ক) রসিদের মাধ্যমে সকল প্রকার আয় গ্রহণ করা হইবে এবং ভাউচারের মাধ্যমে সকল প্রকার ব্যয় হইবে। সমস্ত আয় ব্যয় ক্যাশ বহিতে দৈনিক হিসাবে লিপিবদ্ধ হইবে।
৭.২.(খ) সংগঠনের দৈনন্দিন ও জরুরী খরচের জন্য সাধারণ সম্পাদক তাহার অফিসে নগদ ৫০০ মার্কিন ডলার রাখিতে পারিবেন।
৭.২.(গ) কোন সময় নগদ টাকার অংক ১০০০ উর্ধ্বে হইলে ঐ দিনে অথবা পরবর্তী ব্যাংক খোলার দিনে তাহা ব্যাংকে জমা করিতে হইবে।
৭.২.(ঘ) সংগঠনের তহবিল লাইবেরিয়াস্থ যে কোন তপসিলি ব্যাংকে “বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া” নামে রক্ষিত হইবে।
৭.২.(ঙ) সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের যে কোন দুই জনের যৌথ স্বাক্ষরে সংগঠনের ব্যাংক তহবিল পরিচালিত হইবে। তবে (১০০০) মার্কিন ডলার উর্ধ্বে অর্থ উত্তোলন করিতে হইলে ইহার প্রাক্কলিত ব্যয় নির্ধারণ করিয়া কার্যকরী পরিষদের অনুমোদন লইতে হইবে।
৭.২.(চ) আয়-ব্যায় এর মাসিক ও বার্ষিক রিপোর্ট কার্যকরী পরিষদের পঠন পাঠনের মাধ্যমে পাশ করাইতে হইবে।
৭.২.(ছ) আয়ের রশিদে সাধারণ সম্পাদক এবং আদায়কারীর (বা কোষাধ্যক্ষের) স্বাক্ষর থাকিবে। ব্যয় এর ভাউচারে সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর থাকিবে। অতঃপর সভাপতি কর্তৃক ভাউচার অনুমোদিত হইবে।
৭.২.(জ) সংগঠনের আয়-ব্যয়ের জন্য একটি বার্ষিক বাজেট থাকিবে। ব্যয়ের ক্ষেত্রে কখনও বার্ষিক বাজেটকে উপেক্ষা করা যাইবেনা।
৭.২.(ঝ) কার্যকরী পরিষদ হইতে তিন বা ততোধিক সদস্য নিয়া একটি বাজেট কমিটি গঠন করিতে হইবে। এই কমিটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকরী পরিষদের সভায় বাজেট পেশ করিবে। বাজেট গৃহিত হওয়ার পর এই কমিটি বিলুপ্ত হইবে।
অনু-৭.ধারা-৩ অডিট
৭.৩.(ক) কার্যকরী পরিষদের একজন সদস্য এবং সাধারণ সদস্য হইতে দুইজন সদস্য নিয়া মোট তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি অডিট কমিটি গঠন করিতে হইবে।
৭.৩.(খ) অডিট কমিটি অনুচ্ছেদ ৭ এর ধারা ১ ও ২ অনুসারে সংগঠনের বার্ষিক আয় ব্যয় অডিট করিবে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ অডিট রিপোর্ট তৈরি করিয়া সংগঠনের সভাপতির নিকট যথা সময়ে অবস্থায় জমা দিবে যাহা পরবর্তী সাধারণ পরিষদের সভায় অডিট কমিটির আহবায়ক কর্তৃক পেশ করা হইবে।
৭.৩.(গ) অডিট রিপোর্ট সাধারণ পরিষদের সভায় পেশ ও আলোচনা পর্যালোচনা করিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিবার পর অডিট কমিটি বিলুপ্ত হইবে।
অনুচ্ছেদ-৮ ঃ নির্বাচন
নির্বাচন ঃ নির্বাচনের গতানুগতিক পদ্ধতিতে দেখা যায় যে, প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলক মনোভাব এবং পরাজিত হওয়ার কারণ প্রতিদ্বন্দিদের মধ্যে নির্বাচন উত্তরকালেও দীর্ঘদিন পর্যন্ত দ্বন্ধ জিয়াইয়া রাখে। তাই এই সংগঠন নির্বাচনের এমন একটি পদ্ধতি অনুসরণ করিবে যাহা সংগঠনের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে কোনরূপ দ্বিধাদ্বন্ধ সৃষ্টি করিতে না পারে। নির্বাচন গোপন ব্যালটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হইবে।
অনু-৮.ধারা-১ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি
সাধারণ সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে আহবায়ক করিয়া তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করিতে হইবে। তবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের তারিখ, সময় ও তফসিলসহ যাবতীয় কার্যাদি সম্পন্ন করতঃ নির্বাচন কমিশনারকে সহযোগিতা প্রদান করিবে। নির্বাচন কমিটি নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনারের কোন কাজে হস্তক্ষেপ করিতে পারিবে না এবং নির্বাচনে ভোট গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ নির্বাচন কমিশানারের একান্ত এখতিয়ারে থাকিবে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষনার পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত হইবে।
অনু-৮.ধারা-২ প্রার্থী ঘোষানা
৮.২.(ক) সংগঠন কার্যকরী পরিষদ বা এডহক কমিটি নির্বাচন ও সাধারণ সভা অনুষ্ঠানের তারিখ নির্ধারণ করিয়া সকল সাধারণ সদস্যকে কমপক্ষে সাত দিন পূর্বে জানাইতে হইবে।
৮.২.(খ) যাহারা সংগঠন চাঁদা ভোটার তালিকা প্রণয়নের পূর্ব সময় পর্যন্ত পরিশোধ করেন নাই অথবা যাহাদের সদস্য পদ স্থগিত থাকিবে তাহারা নির্বাচনে প্রার্থী হইতে পারিবেন না।
অনু-৮.ধারা-৩ নির্বাচন পরিচালনা ও আহবায়ক কমিটি
নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ১২০ (একশত বিশ) দিনের মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা/ অনুষ্ঠান করিতে ব্যর্থ হইলে কার্যকরী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ও তার পরিষদ ভাঙ্গিয়া দিয়া ৭ (সাত) দিনের মধ্যে নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করিবে। এই আহবায়ক কমিটি ৫ (পাঁচ) সদস্য বিশিষ্ট হইবে। একজন আহবায়ক, একজন সদস্য সচিব ও অপর তিনজন সদস্য থাকিবেন। এ আহবায়ক কমিটি গঠনের ৪ (চার) মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবে এবং সংগঠন কার্যক্রম পরিচালনা করিবে। উক্ত কমিটি নির্বাচন পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করিবে।
অনু-৮.ধারা-৪ ভোটার তালিকা
সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে যাহারা সংগঠনের চাঁদা নিয়মিত পরিশোধ করিয়াছেন এবং যাহাদের সদস্য পদ স্থগিত হয় নাই তাহারাই ভোটার হিসাবে বিবেচিত হইবে।
অনু-৮.ধারা-৫ ভোট গ্রহণ ও ফলাফল
৮.৫.(ক) নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রস্তুতকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিদের তালিকা সম্বলিত ব্যালট পেপার ভোট গ্রহণকালে ভোটারগণ নির্বাচন কমিশনারের নিকট থেকে সংগ্রহ করিয়া তাহাদের পছন্দনীয় ব্যক্তিদেরকে বিভিন্ন পদে গোপনভাবে ভোট প্রদান করিবেন এবং নির্বাচন কমিশনারের সম্মূখে রক্ষিত ব্যালট বাক্সে ব্যালট পেপারটি ফেলিবেন।
৮.৫.(খ) নির্বাচনের পরে/নির্বাচনান্তে নির্বাচন কমিশনার ব্যালেট বাক্স হইতে ব্যালট পেপারগুলি খুলিয়া নিয়ম মাফিক সাধারণ সদস্যদের সামনে ভোট গণনা করিবেন এবং ফলাফল ঘোষনা করিবেন।
অনু-৮. ধারা-৬ দায়িত্ব হস্তান্তর
৮.৬.(ক) ফলাফল ঘোষনার পর হইতে ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে পূর্ববতী কমিটি নব নির্বাচিত কমিটির নিকট দায়িত্বভার হস্তান্তর করিবে। যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তরে ব্যর্থ হয়, তবে নবনির্বাচিত কমিটি ফল প্রকাশের ১৬তম দিবস হইতে নবনির্বাচিত পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন ভাবে সংগঠনের কার্যক্রম শুরু করিতে পারিবে।
অনু-৯. গঠনতন্ত্র সংশোধন
৯.১ (ক) গঠনতন্ত্রের সংশোধন, পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের জন্য কোন সদস গঠনতন্ত্রের উপর সংশোধনী প্রস্তাব আনতে চাইলে কম পক্ষ্যে ২ তৃতীয়াংশ সদস্য মিলে লিখিত ভাবে প্রস্তাব আনতে পারবেন। উক্ত সংশোধনী প্রস্তাব প্রথমে কার্যকরী পরিষদের সভায় অনুমোদন করাইতে হবে। কার্যকরী পরিষদের অনমোদন সাপেক্ষে উক্ত সংশোধনী সংগঠনের সাধারণ সভায় ২ তৃতীয়াশের সম্মতিক্রমে অনুমোদন করা যাবে। তবে চড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নিবন্ধিকরন কর্তৃপক্ষের নিকট পেশ করতে হবে। নিবন্ধিকররন কর্তৃপক্ষের কর্তৃক অনুমোদিত হলে উক্ত সংশোধনী কার্যকর বলে বিবেচিত হবে।
গঠনতন্ত্রঃ বাংলাদেশ কমিউনিটি অব লাইবেরিয়া,
সৌজন্য বিনিময় মূল্যঃ ১০ ডলার